New sex chatte


01-Nov-2019 15:07

Experience sex chat at its best and give Sexchatster a try!

This free sex chat room provides a registration-free experience where you can meet sexy girls and watch nude cams without creating an account.

Start chatting right now and you won't ever want to leave!

Chat rooms online often seem to deliver the same type of experience – Sexchatster is not like the rest.

free chat website that lets you connect with people quickly and easily.

Featuring mobile chat rooms as well, helps you find and connect with single women and men throughout the globe.

) #music (Make requests for songs on x Xx RADIO or post youtube music links) #fuck_me_in_front_of_everyone (Where the women are wet and the men are hard) #bbw (For those who appreciate larger curvaceous women with a fuller figure) #anime (Anime, toons and hentai lovers) #singles (Single, divorced or separated?

New sex chatte-16

dating remus lupin children shadows

Regardless of the chat room feature that you use, you'll get to talk to strangers on webcam and have cyber sex for free.Our free cams allow you to have sex with real people in real time.It's all live on webcam – you get to flirt with the webcam girls, have them show you specific body parts, and they can even moan your name as they climax. HD quality webcam sex makes the experience mind-blowing.All you have to do is answer a couple of simple questions and you’re ready to go.

Why get bogged down with inconvenient registration pages when you don’t have to?As you explore our various features, you will see how awesome Sexchatster is.



”ও অস্ফুট স্বরে নাক দিয়ে কেমন একটা শব্দ করলো যেটা শুনে আমার মনে হল ওর আরামই লাগছে।আমি ওকে মাসাজ করে দিতে লাগলাম। পিঠ থেকে আস্তে আস্তে নিচে নামলাম। ওর পাছাটা আমার কাছে খুব ভালো লাগলো। সুন্দর মসৃণ একটা পাছা। মাঝারি একটা ঢেউ উঠে আবার রানের সাথে এসে মিলিয়ে গেছে। মাঝের খাঁজটা অনেক গভীর লাগলো। আরো চিত হয়ে শুবার কারণে ওর পাছাটা অনেক টাইট মনে হচ্ছিল। আস্তে আস্তে ওর পায়ের দিকে নেমে এলাম। অনেক সুন্দর ওর পা দুটো। পা মাসাজ করার সময় চোখ পড়ল ওর গুদের দিকে। আমার চোখ খনিকের জন্য সেখানে আটকে গেল। আমি সেইবার প্রথম কোন মেয়ের গুদ বাস্তবে দেখছিলাম। ওর গুদটাতে একটা নিবিড় যত্নের ছাপ আমার চোখে পড়ল। সুন্দর করে লোম গুলো ছাটা। একেবারে নীট এন্ড ক্লিন। আমি একটু ভালো করে দেখার জন্য ওর পা দুটো আমার দুই কাঁধে নিয়ে মাসাজ করতে করতে ওর গুদটা দেখছিলাম। জিনিসটা কিছুটা একটা মানুষের ঠোঁট আর ওষ্ঠ্য মিলিয়ে যা হয় তাই। আর তার মাঝের ছিদ্রটা সহ দেখে মনে হয় ঠোঁটটা হাসছে। আমি অবাক হয়ে খেয়াল করলাম আমি মাসাজ করছি না, হাঁ করে সপ্নার গুদ দেখছি। পুরো জিনিসটা আমার কাছে খুব সুন্দর লাগলো। গুদটা থেকে একটু একটু করে পানি পড়ছিল। তখন দেখে মনে হয়েছিল ওর অর্গাজম হয়ে গেছে। কিন্তু পরে ভাল করে খেয়াল করে বুজলাম সেটা আসলে অর্গাজমের প্রাইমারী পিরিয়ডে যে রস বের হয় মেয়েদের সেটা। ভিজে পুরা চুপচুপা হয়ে গিয়েছিল সপ্নার গুদটা। সেদিন ও অনেক এক্সাইটেড হয়ে গেছিলো তখন ওর গুদ দেখেই টের পেয়েছিলাম। ওর গুদের কালারটা ওর বডি কালারের মতই ছিল। যেসব পর্ণোমুভি দেখেছিলাম সেগুলোর নায়িকা গুলোর গুদ অনেকটা বডি কালারের সাথে মিলত না। অবশ্য ভালো কোয়ালিটির পর্ণোমুভি হলে সেটা ভিন্ন কথা । তবে আমার ফ্রেন্ডরা যারা মাগী লাগিয়েছিল বা গার্ল ফ্রেন্ডের লগে সেক্স করার Experience ছিল ওরা বলত বাংলাদেশের গুদ নাকি কালা, ইন্ডিয়ার গুদও নাকি কালা। জাপানের গুদ নাকি ধলা। তখন আমার বিশ্বাস হইত না। সপ্নার গুদটা দেখে সেই বিশ্বাসে আরো ভাঁটা পড়ল। পরের দিন সপ্নাকে এই কথা বলতেই ও আমার বন্ধুদের পক্ষ নিয়ে বলল ওরা নাকি ঠিকই বলেছে। যাই হোক কি আর করা। যেহেতু সপ্না আমার সেক্সের গুরু, তাই তার কথাই ঠিক, নির্দ্বিধায় বিশ্বাস করলাম।ওর পা মাসাজ শেষ করে ওকে সোজা করে শুইয়ে দিয়ে বুকে মাসাজ করতে লাগলাম। বুকে চাপ পড়তেই ওর মুখে কেমন যেন একটা প্রশান্তি দেখতে পেলাম। সেটা দেখে আমি ঐ দিন বেশ কিছুক্ষন ওর বুকে মাসাজ করলাম। দুধ গুলো আলতো করে টিপে দিলাম। আমি যতই টিপছিলাম ওর দুধ গুলো ততই হলুদ ফর্সা থেকে লাল হয়ে যাচ্ছিল। আমি যে শুধু ওর প্রশান্তি দেখেই দুধ টিপছিলাম সেটা একেবারে ঠিক নয়। দুধগুলো টিপতে আমারো ভালো লাগছিল। ও হঠাৎ বলে উঠল, “Dry up my pussy, Please, dry up my pussy.”নেমে এলাম পায়ের কাছে । ওর Pussy তে কিছুক্ষণ আঙ্গুল দিয়ে Fuck করলাম। কিন্তু দেখলাম ও সেটা সহ্য করতে পারছে না। তাই Fuck করা বন্ধ করে দিয়ে আমি ওর গুদের মাঝে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলাম। কারণ Fuck করতে গিয়েই যদি ওর অর্গাজম হয়ে যেত তাহলে পুরো মজাটাই নষ্ট হয়ে যেত এই ভয়ে। কিছুক্ষণ হাত বুলিয়ে আদর করার পর আমি গিয়ে ওর দুই পায়ের মাঝে বসলাম। ডিলডোটা হাতে নিয়ে ওটাতে সামান্য লুব্রেকেটিং অয়েল মেখে ভাইব্রেটর টা অন করে দিলাম। তারপর আস্তে আস্তে আমি ওর গুদের মাঝে সেটা চালাতে থাকলাম। ওর চোখ মুখ দেখে মনে হচ্ছিল ও খুব আরাম পাচ্ছিল। সত্যি কথা বলতে কি ওর গুদটা দেখে আমারই বাড়াটা ঢুকাতে ইচ্ছা করছিল। কিন্তু শুধু কনডম ছিল না, এই ভয়ে ঢুকাতে পারি নাই। হয়ত বেড লাক ছিল । তবে পরের দিনই সপ্না আমার ইচ্ছাটা ওর যৌনজ্ঞানের বদৌলতে কনডম ছাড়াই পূরণ করে দিয়েছিল। আমার সেক্স সম্পর্কে ধারনা কম থাকার জন্যই ঐ দিন কষ্ট করে ডিলডো খুঁজতে গিয়েছিলাম। সেই ঘটনা পরে লিখবো।তারপর আমি ডিলডোটা নাড়তে লাগলাম আস্তে আস্তে। দেখলাম পুরোটা ওর গুদের ভেতর অদৃশ্য হয়ে গেল। আমি আবার বাহিরে টেনে বের করে আনলাম। আবার ঢুকালাম। এভাবে কিছুক্ষণ করার পর ওর গুদ মাল ছাড়া শুরু করলো। আমি দ্রুত ডিলডো টা বের করে এনে, মুখ দিয়ে চুষতে থাকলাম ওর গুদটা । আমার জিহ্বার নড়াচড়াতেই মনে হয় ও কাতরাতে লাগলো। আর এদিকে আমি জিহ্বার কম্পন বাড়িয়ে দিলাম। ওর মাল কিছু আমার মুখে ঢুকল,কিছু বিছানায় পরে গেলো। স্বাদটা কিছুটা এলসিনোর মত। তবে পুরোপুরি না। মাল ছাড়া শেষ হলে আমি চেটে পুটে সব পরিষ্কার করে গেলাম ওয়াশরুমে। হাত থেকে প্রথমে সপ্নার মাল আমার বাড়াটাতে লাগিয়ে, পিচ্ছিল করে খেঁচতে লাগলাম। সপ্নাকে আর বিরক্ত করলাম না। ও টায়ার্ড ছিল, মাল ছাড়ার পর হয়ত ঘুমিয়েও গিয়েছিল। আমিও দ্রুত মাল খসালাম। তারপর জিনিসপাতি সব গুছিয়ে একটা টাওয়েল দিয়ে ওর গুদটা মুছিয়ে দিলাম।এরপর ন্যংটোই গিয়ে ওর পাশে শুলাম। কেন জানি ঐদিন Nude Sleep দিতে ইচ্ছা করছিল। আমি শুয়ে ওকে কাছে টেনে বুকে জড়িয়ে ধরলাম। ভেবেছিলাম ও ঘুমিয়ে গিয়েছে। কিন্তু আমি অবাক হয়ে খেয়াল করলাম সপ্না যেন ঘুমের ঘোরেই আমাকে জড়িয়ে ধরছে। তারপর কাঁথা মুড়ি দিয়ে ওকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে মনের মাঝে একটা অন্যরকম প্রশান্তি নিয়ে চোখ বন্ধ করলাম। আর প্রায় সাথে সাথেই তলিয়ে গেলাম অতল ঘুমের সাগরে।রাতে কয়টা বাজে ঘুমিয়েছিলাম সেটা ঠিক খেয়াল ছিল না, তবে সকালে ঘুম ভাঙল যখন,তখন ঘড়িতে প্রায় এগারোটা বাজে। জানালার মোটা পর্দা গুলার কারণে রুমের ভেতরটা তখনও অন্ধকার ছিল । আমার বুকে সপ্না অঘরে ঘুমিয়ে আছে। পুরো শরীরটা আমার গায়ের সাথে লেপ্টে ছিল । আমি ওকে একটু কাছে টেনে ওর মাথায় একটা চুমু দিলাম । আনমনে ওর চুলে হাত বুলাতে বুলাতে মনে হল সত্যিই ‘নারী’ স্রষ্ঠার এক অপূর্ব সুন্দর সৃষ্টি । অনেক্ষণ হল ভ্যানের জন্য দাড়িয়ে রয়েছি কিন্তু কোন ভ্যানের খোজ নেই। কিছুক্ষণ আগে বৃষ্টি হয়ে গেছে এক পশলা, আকাশও এখনও গম্ভীর। মোবাইলের স্ক্রিনে টাইম দেখলাম, ১০টা ১৭। এত রাতে বাজারে কোন ভ্যান নেই। বৃষ্টি না হলে থাকত। কি আর করা। হাটতে লাগলাম। খালার ঔষধ কিনতে এসেছিলাম, আসার সময় যদিও ভ্যান পেয়েছিলাম, কিন্তু এই মুহুর্তে বাজারে যেমন কোন ভ্যান নেই তেমনি ঔষধের দোকান ছাড়া একটা ছোট্ট চায়ের এই দুটো ছাড়া অন্য কোন দোকানও খোলা নেই। বাধ্য হয়ে হাটা শুরু করলাম, মাটি দিয়ে বৃষ্টির গন্ধ বের হচ্ছে। আবার টিপটিপ করে হালকা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। একটু জোরেই হাটা শুরু করলাম, গার্ল্স স্কুলের কাছা কাছি আসতে না আসতেই একটু জোরে শুরু হয়ে গেল। বাধ্য হয়ে দ্রুত পাশে একগাছের নিচে দাড়ালাম, আশপাশে কোন দোকান-পাটও নেই, বড় শিশু গাছ কিন্তু ছাট এসে ভিজিয়ে দিয়ে যাচ্ছিল। বাধ্য হয়ে পকেটের সিগারেট আর ম্যাচ বের করে গাছের বিপরীত প্রান্তে গেলাম, সিগারেট ধরিয়ে টানতে টানতে ভাবলাম, কিছুক্ষণের মধ্যে না থামলে জাখালা খুলে শুধু লুংগি পরা অবস্থায় দৌড় দেব। ওদিকে বাড়ীতেও খালা ছাড়া আর কেউ নেই। তাই বাড়ীতে তাড়াতাড়ি যাওয়ার তাড়া ছিল। মনোযোগটা বিড়ির দিকেই ছিল, কিনতু হঠাৎ স্কুলের গেটটা খুলে যাওয়ার শব্দে তাকালাম সেদিকে। অন্ধকারে মনে হলো একজন মহিলা আর ১০/১২ বছরের একটা বাচ্চা, জোর করে বের করে দেওয়া হল। বাচ্চাটির হাত ধরে মহিলা এই শিশুগাছের দিকেই আসছে। আমার পাশেই দাড়াল। বৃষ্টির আচ আরো বেড়ে গেল। বাধ্য হয়ে জাখালা খুলে মাথায় দিলাম। গোটমোট হয়ে তারাও সরে আসল আরো গাছের কাছে। এতক্ষণে খেয়াল করলাম, ৩০/৩৫ বছরের মহিলা। আর খালি গায়ে বাচ্চাটা। -কি হয়েছে রে খুকি, তোদের বের করে দিল কেন? খুকির উত্তর দেওয়ার আগেই মহিলা জিজ্ঞাসা করল, তার শব্দে কেমন যেন একটা আতঙ্কের ছোয়া। -এই তো আমার বাড়ী বাজারের ঐ পাশে। -আর বলেন না বাবাজি, ভিক্ষা করে খায়, রাতে শোব বলে বাচ্চাটাকে নিয়ে ঐ স্কুলের ভিতরে গিয়েছিলাম, বারান্দায় শুয়েও ছিলাম, কিন্তু বের করে দিল। -কেন? -হ্যা, চোখ দুটো জন্মের সময় ছিল, কিনতু ছোটকালে বসন্ত হয়ে চোখদুটো গেল। -তাহলে এটা কে? -মুজিবর যেবার রাজা হল, তার দুবছর পরে আমার জন্ম। মনে মনে হিসাব করে দেখলাম। -তাহলে তো খুব বেশি না। চোখ ভাল হয়ে গেলে তুমি বিয়েশাদী করে জীবন পাল্টিয়ে ফেলতে পারতে। -আপনি মিথ্যা কথা বলছেন, আমাকে বোকা ভেবে মিথ্যা বলছেন। -তোমাকে মিথ্যা বলে আমার কি লাভ বল?… continue reading »


Read more

Experienced clinical supervisor & clinical director. I taught college classes & workshops in parenting, stress management, life balance, communication skills, dealing with difficult people, conflict mgt.… continue reading »


Read more

We are a match and I would love us to march together one of these days. … continue reading »


Read more

If she has to work to see your face, or if you have more than one person in your photo – she’s much more likely to not interact at all. You can ensure she knows you’re the right guy for her by conveying in your dating profile photos that you’re an athletic guy.… continue reading »


Read more

It’s completely uncensored and unedited, so if that type of free cam is your thing, you’re in luck.… continue reading »


Read more